সরকারী যানবাহন অধিদপ্তর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd অক্টোবর ২০১৪

শাখা ভিত্তিক কার্যাবলী

     
(ক) সরকারি সড়ক পরিবহণ:
(১)    সরকারি সড়ক পরিবহণ এর প্রধান হচ্ছেন পরিচালক। তিনি, সরকারি সড়ক পরিবহণ শাখার প্রধান হিসাবে পরিবহণ কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী পরিবহণ শাখার যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করা।
(২)    পরিবহণ কমিশনারের অনুমোদন গ্রহণ পূর্বক সরকারি সড়ক পরিবহণ শাখার প্রধান হিসেবে তিনি কেন্দ্রীয় পরিবহণ পুলের গাড়ি বরাদ্দ, জ্বলানী সংগ্রহ ও বিতরণ এবং জেলাপুলের গাড়ি বরাদ্দ ও রক্ষণাবেক্ষনসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা।
(৩)    কেন্দ্রীয় পরিবহণ পুল ও জেলাপুলের যথাযথ কার্যক্রম পরিচালনা ও শৃংঙ্খলার জন্য দায়ী থাকা।
(৪)    অধিদপ্তরের সম্পূর্ণ পুল এলাকার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার জন্য দায়ী থাকা। পুলের অভ্যন্তরীন সকল গাড়ির সাপ্তাহিক/মাসিক সার্ভিসিং, রক্ষণাবেক্ষন, অয়েল/হুইল পরিবর্তন, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত এবং গার্ড এর নিকট রক্ষিত গাড়ি ইন/আউট রেজিস্ট্রার তদারকিসহ গাড়ি বাহির হওয়ার  পূর্বে অয়েল লেবেল, চাকার প্রেসার রেডিও, ক্যাসেট, পানি নির্দেশনা অনুযায়ী কাগজপত্র, স্ট্রীয়ারিং গাড়ির ভিতরে ও বহিরের পরিচ্ছন্œতা, চালকের পোষাক পরিধান ইত্যাদিসহ পুলের সকল গাড়ির রক্ষণাবেক্ষন ও পরিচ্ছন্ন পোষাক পরিধানের বিষয় নিশ্চিত করা।
(৫)    মাঠ পর্যায়ে সহকর্মীদের পরিচালনাসহ সকল কাজ বাস্তবায়নের নির্বাহী হিসেবে কাজ করা।
(৬)    অধীনস্থ সকল চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগ করা।
(৭)    অধীনস্থ সকল দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তাকে নৈমিত্তিক ছুটি এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সকল প্রকার ছুটি মঞ্জুর করা।
(৮)    সার্বক্ষনিক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণের অনুকুলে সময়মত গাড়ি ন্যস্ত করণের দায়িত্ব পালন করা।
(৯)    সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর/পরিদপ্তরের প্রাধিকার অনুযায়ী গাড়ির চাহিদা পূরণ করা।
(১০)    সময়মত জ্বালানী সংগ্রহ/ক্রয় এর জন্য দায়ী থাকা এবং গাড়িতে প্রাধিকার অনুযায়ী অনুমোদিত পেট্রোল পাম্প হতে জ্বালানী সরবরাহের দায়িত্ব পালন করা।
(১১)    প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ/পরিদপ্তরের গাড়ি এবং সমাপ্ত সকল উন্নয়ন প্রকল্পের গাড়ি বুকচার্জে নেয়া এবং প্রাধিকার অনুযায়ী পুন: বরাদ্দ করা।
(১২)    সকল জেলা পুলের গাড়ি প্রতিস্থাপন ও মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(১৩)    দেশে ভ্রমনকারী বিদেশী রাষ্ট্র প্রধান বা ডেলিগেশনের ব্যবহারের জন্য যানবাহন সরবরাহ করা। প্রয়োজনীয় যানবাহন না থাকলে অন্যান্য সংস্থা থেকে অধিযাচনের মাধ্যমে গাড়ি সংগ্রহের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(১৪)    সার্বক্ষনিক প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণকে জ্বালানী সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং মন্ত্রণালয়/বিভাগ/অধিদপ্তর/পরিদপ্তরকে স্ব-স্ব বাজেট হতে জ্বালানী সরবরাহের জন্য দায়িত্ববান হওয়া।
(১৫)    অধীনস্থ শাখাসমূহ প্রতি ৩ মাসে ১ বার পরিদর্শন করা এবং পরিদর্শনের ১০ দিনের মধ্যে পরিবহণ কমিশনারের নিকট প্রতিবেদন পেশ করা।
(১৬)    পরিবহণ কমিশনারের পূর্ব অনুমোদন গ্রহণ পূর্বক পরিচালক(সড়ক) তাঁর অধীনস্থ কর্মকর্তাদের নিকট তাঁর উপর অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য ক্ষমতা অর্পণ করা।
(১৭)    অধিদপ্তরের জ্বালানী বিল যাচাই করা (আনুষাঙ্গিক কাগজপত্রসহ) এবং বিল পরিশোধের জন্য সুপারিশ করা।
(১৮)    পরিচালক(সড়ক) তাঁর অধীনস্থ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের অভ্যন্তরীণ বদলী করা।
(১৯)    গাড়ি চালকদের প্রাপ্যতা অনযায়ী পোশাকাদি সরবরাহের জন্য যথা সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়ী থাকা।
(২০)     কেন্দ্রীয় পরিবহণ পুলের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করা এবং সকল অগ্নিনির্বাপন কার্যক্রম এবং কোন চুরি অথবা ছোট-খাটো ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী থাকা।
(২১)    গাড়ির লগ বই, হিস্ট্রিবই, রেজিস্ট্রেশন, গাড়ি ভাড়ার বিলের উপর যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য দায়ী থাকা। কেন্দ্রীয় পরিবহণ পুলের ষ্টক রেজিস্ট্রার প্রতিদিন যাচাই করা এবং সাপ্তাহিক প্রতিবেদন পরিবহণ কমিশনারের নিকট পেশ করা।
(২২)     সরকারি যানবাহন মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনের হালনাগাদ রেকর্ড সংরক্ষণের জন্য দায়ী থাকা।
(২৩)     পরিচালক(সড়ক) এর অধীনস্থ যেকোন নন-গেজেটেড কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা। তবে আনুষ্ঠানিক বিভাগীয় ও অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণের পূর্বে পরিবহণ কমিশনারের অনুমোদন গ্রহণ করা।
(২৪)     পরিবহণ কমিশনার জনস্বার্থে তাঁকে যেকোন দায়িত্ব প্রদান করতে পারবেন এবং পরিচালক(সড়ক) হিসেবে তাঁর উপর প্রদত্ত যেকোন দায়িত্ব প্রত্যাহার করতে পারবেন।
(২৫)     পরিচালক (সড়ক) তাঁর অধীনস্থ অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন করা।
(২৬)     সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের গাড়িসমূহ অকেজো ঘোষণাকরণ এবং বিক্রির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়ী থাকা। ডেড-স্টক রেজিস্ট্রার সংরক্ষণ করা ।
(২৭)     প্রতি মাসে একবার কেন্দ্রীয় পরিবহণ পুলের সকল যানবাহনের হিসাব সরেজমিনে যাচাই করা এবং পরবর্তী ০৩ কর্মদিবসের মধ্যে পরিবহণ কমিশনারের নিকট প্রতিবেদন পেশ করা।
(২৮)     পুলে সংরক্ষিত রিজার্ভ গাড়িসমূহ চালু রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(২৯)    যে কোন প্রকার গাড়ি বরাদ্দের ক্ষেত্রে পরিবহণ কমিশনারের অনুমোদন নিয়ে বরাদ্দ পত্র জারী করা।
(৩০)    কেন্দ্রীয় পরিবহণ পুলের মালামালের বাৎসরিক ১০০% যাচাই করণের জন্য দায়ী থাকা।
(৩১)    কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করা।
(খ) সরকারি নৌ পরিবহণঃ
১। সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরাধীন সরকারি নৌ পরিবহণ নদী ও হাওড়-বাওড় অঞ্চলে বন্যা ও দুযোর্গ মোকাবেলাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্মকান্ড পরিদর্শনে যাতায়াতের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের জলযান(লঞ্চ, কেবিনক্রুজার  কেবিন সুবিধাসহ) ও স্পীডবোট সরবরাহ করে থাকে। নৌ পরিবহণে একজন পরিচালকের তত্ত্বাবধানে একজন সহকারী পরিচালক, একজন পরিদর্শক সহ মোট ২৩ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের যুগ্ন-সচিব পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা পরিচালক (নৌ) এর দায়িত্ব পালন করছেন। নৌ পরিবহণের আওতায় জলযান মেরামত, সংরক্ষণসহ প্রয়োজনে নতুন জলযান সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।
২। সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের আওতাধীন জলযান মেরামতের প্রাক্কলন প্রস্তুত, অনুমোদন ও অচল জলযান অকেজো ঘোষণার লক্ষ্যে নৌ পরিবহণে নিয়োজিত সহকারী পরিচালক/পরিদর্শক সংশ্লিষ্ট জলযান পরিদর্শন পূর্বক প্রতিবেদন প্রদান করে থাকেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তর জলযান মেরামত/অকেজো ঘোষণার পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
৩। সরকারি নৌ পরিবহণে বর্তমানে কেন্দ্রীয় অফিস, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ব্যবহারের জন্য নিম্নে বর্ণিত জলযানের প্রাধিকার রয়েছে।
ক। কেন্দ্রীয় অফিসে ১টি লঞ্চ।
খ। বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের অফিসে ০১টি লঞ্চ।
গ। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে (১) ৩৯টি কেবিনক্রুজার (কেবিন সুবিধাসহ), (২) ৬৮টি স্পীডবোট, (৩) ৯০টি স্পীডবোট ইঞ্জিন
ঘ। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ১৬টি কেবিনক্রুজার  (কেবিন সুবিধাসহ)
সরকারি যানবাহন মেরামত কারখানা:
(ক) সরকারি যানবাহন মেরামত কারখানার প্র্রধান হচ্ছেন ব্যবস্থাপক। তিনি সরকারি যানবাহন মেরামত কারখানার প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে কাজ করবেন। তিনি পরিবহণ কমিশনারের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ঢাকার মোটরযান কারখানার বিদ্যমান গ্যারেজ ও কারিগরি কর্মচারীদের কাজের তদারকি করবেন।   
(খ) তিনি সরকারি গাড়িসূহের মেরামত, রক্ষেণাবেক্ষন ও খুচরা যন্ত্রাংশ ক্রয়ের বিষয়ে পরিবহণ কশিনারের কারিগরি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।
(গ) তিনি কেন্দ্রীয় মোটরযান মেরামত কারখানার কর্মীদের প্রশিক্ষণ, উৎপাদন ও প্রশাসন সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন।
(ঘ) তিনি যানবাহন অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় এবং জেলা উপজেলাপুলে বিদ্যামান যানবাহনসমূহ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ঙ) সরকার কর্তৃক বিভিন্ন যানবাহনের খুচরা যন্তাংশ ও মালামাল প্রয়োজনীয়তার নিরীখে কারখানায় মজুদ রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(চ) কারখানার সাধারণ শৃংখলা রক্ষণাবেক্ষনসহ সকল ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের নৈমিত্তিক ছুটি এবং ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সকল প্রকার নৈমিত্তিক ও অর্জিত ছুটি মঞ্জুর করবেন।
(ছ) মালামালের গুণগত মান রক্ষা, কারিগরি কর্মচারীদের কারিগরি কাজের পদ্ধতি এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন যেন কাজে উৎপাদন, দক্ষতা এবং আর্থিক বিষয়টি ঈস্পিত মানের হয়।
(জ) কর্মচারীদের মধ্যে কর্মবন্টন এবং আন্তঃশাখা সমন্বয় ও শৃংখলা রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্বে থাকবেন।
(ঝ) পরিবহণ কমিশনারের নিকট গাড়ি মেরামতের ভবষয়ে সকল তথ্য/উপাত্ত সরবরাহের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ঞ) মেরামত কারখানার স্টোর এবং অন্যান্য মালামালের বার্ষিক ১০০% যাচই করণের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ট) প্রয়োজন অনুসারে সরকারি যানবাহন সমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাক্কলন দাখিল করবেন।
(ঠ) মেরামত কাজের সংশ্লিষ্ট খরচাদি ও সরবরাহকৃত মালামালের জন্য ব্যয়কৃত অর্থ আদায়ের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ড) কমপক্ষে প্রতি ০৩ মাসে তাঁর অধীনস্থ প্রতিটি শাখা পরিদর্শন করবেন এবং পরিদর্শনের  ১০ দিনের মধ্যে পরিবহণ কমিশনারের নিকট প্রতিবেদন পেশ করবেন।
(ঢ) কারখানার নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং অগ্নিনির্বাপন কর্মকান্ডসহ যাবতীয় নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ণ) তাঁর অধীনস্থ কারিগরি কর্মচারীদের পোষাকাদি সরবরাহ নিশ্চিত করবেন।
(ত) কারখানার কর্মচারীদের মধ্যে যথাযথ সমন্বয় সাধন করবেন।
(থ) প্রাপ্যতা অনুযায়ী অধীনস্থ কারিগরি কর্মচারীদের পোষাকাদি সরবরাহ নিশ্চিত করবেন।
(দ) সরকারি যানবাহন মেরামত কারখানার উন্নয়নমূলক কর্মসূচী গ্রহণ করবেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ধ) সরকারি যানবাহন সমূহ মেরামত ও সংরক্ষণের বিষয়ে হালনাগাদ তথ্যাদি সংরক্ষণ করবেন।
(ন) কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত অন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশাসনিক শাখা:
(ক্)  নিয়োগ পদায়ন, চারিত্রিক প্রতিবেদন প্রাপ্তি এবং হাজিরা, নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মচারীদের মেডিকেল রিপোর্ট, পদোন্নতি, বদলী, ছুটি মঞ্জুর, বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন সংরক্ষণ, জৈষ্ঠ্যতা নির্ধারণ, শৃংখলা, নতুন পদ সৃজন ইত্যাদি কাজ হচ্ছে প্রশাসনিক শাখার কাজ।
(খ) প্রশসানিক শাখার এর প্রধান হচ্ছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। তিনি অধিদপ্তরের সাধারণ প্রশাসনিক কাজ এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য দায়ীত্বশীল থাকবেন।
(গ) তিনি প্রধান অফিসের সকল স্টাফের হাজিরা পরীক্ষা করবেন।
(ঘ) তিনি ডাক গ্রহণ, প্রচার এবং ডাক বিতরণের জন্য দায়ী থাকবেন।
(ঙ) তিনি অধিদপ্তরের বেতন ভাতা, অন্যান্য অগ্রিম বিল এবং কন্টিজেন্ট বিলসমূহ যথাসময়ে উত্তোলন করবেন।
(চ)  জেলাপুল সমূহের হিসাব পরিদর্শন করবেন।

হিসাব শাখার কার্যাবলী :

হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা কার্যত নিয়ন্ত্রকারী কর্তৃপক্ষ মাননীয় পরিবহণ কমিশনারের অর্থ উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। যেমন :

১।  জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত রাজস্ব (নন-ট্যাক্স রেভিনিউ) আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণ।

২।   বাজেট প্রস্তুতকরণ,বিভাজন,উপযোজন,পুন:উপযোজন এবং অব্যয়িত অর্থ সমর্পণকরণ ।

৩।   বিভাজনকৃত বাজেটের আওতায় এ অধিদপ্তরে এবং অধিদপ্তরের আওতায় জেলা ও উপজেলাপুলে বাজেট বরাদ্দকরণ।

৪।   এ অধিদপ্তরের বেতন-ভাতা,যাবতীয় অগ্রীম এবং আর্থিক বিলসমূহ প্রস্তুতকরণ।

৫।   আর্থিক বিল হতে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) বিধি মোতাবেক আয়কর-ভ্যাট কর্তনকরত: সি.এ.ও/জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ,চেক আনয়ন এবং সর্বোপরি বিল দাখিলকারিকে উক্ত চেক হস্তান্তরকরণ।

৭।   জেলা ও উপজেলাপুলে বরাদ্দকৃত বাজেটের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পরিদর্শন এবং হিসাব নিরীক্ষাকরণ।

৮।   এ অধিদপ্তরের অডিট কার্যক্রম তদারকি এবং অডিট আপত্তি নিস্পত্তির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

৯।   গাড়ী সেবা নগদায়ন নীতিমালার আওতায় বিশেষ ভাতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে প্রাধিকৃত কর্মকর্তাদে অনাপত্তি সনদ প্রদান করা।

১০।  এ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পেনশন/গ্রাচুয়িটি/কল্যাণ তহবিল/গ্র“প ইন্সুরেন্স বিষয়াদি কাগজপত্র প্রস্তুত এবং চুড়ান্ত নিস্পত্তিকরণ।

১১।  এ অধিদপ্তরের আর্থিক বাজেটের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ। এবং

১২।  সর্বোপরি জনস্বার্থে উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের অর্পিত যে কোন দায়িত্ব প্রতিপালন।

 


Share with :